সামস সুমনের জীবনের গল্প: সুখের খোঁজে নিঃসঙ্গতার বেদনাময় বাস্তবতা
হায় রে জীবন! এ জীবন যেন কেবল সুখের লাগি— তবু কেন মেলে না পরিপূর্ণ সুখ? ৯০-এর দশকের একজন স্বনামধন্য অভিনেতা সামস সুমন। রাজশাহীর মাটি থেকেই তাঁর যাত্রা শুরু। সেখানে ধীরে ধীরে নিজের একটি অবস্থান তৈরি করেছিলেন। কিন্তু মানুষের চাওয়া তো কখনো স্থির থাকে না—আরও ভালো থাকার আশায় তিনি পাড়ি জমান রাজধানীর বুকে। ঢাকাতেও যখন তিনি নিজের জায়গা শক্ত করে নিলেন, তখন মনে হলো—এই দেশ হয়তো সম্পূর্ণ সুখের জন্য যথেষ্ট নয়। প্রিয়জনদের আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনের আশায়, তিনি এক কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন। নিজের নিঃসঙ্গতাকে সঙ্গী করে স্ত্রী-সন্তানদের পাঠিয়ে দিলেন সুদূর আমেরিকায়। এরপর শুরু হলো এক অদৃশ্য দূরত্বের গল্প— একই জীবনের ভেতরে থেকেও, যেন আলাদা দুই পৃথিবী। এই দূরত্বটা কেমন? ঠিক যেন বাড়ির আঙিনায় প্রিয়জনের কবর— জানা যায়, তারা খুব কাছেই আছে, কিন্তু ছোঁয়া যায় না, দেখা যায় না। আমাদের দেশে এমন অনেক স্বনামধন্য মানুষ আছেন, যারা জীবনের শেষ প্রান্তে এসে এই “কবরসম দূরত্বে” বসবাস করেছেন। নিঃসঙ্গতার ভার বয়ে, একা একাই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। সামস সুমনের আগেও আমরা দেখেছি—অভিনেতা আনোয়ার হোসেন, প্রবীর মিত্র; সংগীতশিল...